সেদিনের পরে//আফরোজা অদিতি (নাটক)

৪র্থ দৃশ্য

(শাহিদা গালে হাত দিয়ে বসে থাকবে, পাশে মলিন মুন্নি। মুন্নিকে তালাক দিয়েছে ওর স্বামী। লুঙ্গী পড়া, গায়ে ছেঁড়া গেঞ্জি, ঘাড়ে গামছা। ঘর্মাক্ত ক্লান্ত রহমান ঢুকবে।)

রহমান : আমি হাতমুখ ধুইতে যাইতেছি, ভাত দাও সোলেমানের মা।

    (শাহিদা কোন কথা বলবে না। কথা বলবে মুন্নি)

মুন্নি : ভাত রান্ধা হয় নাই ভাইজান। চা …

রহমান : (কথা শেষ করার আগেই রহমান এসে শাহিদার চুল টেনে বলবে) ক্যান রান্না হয় নাই। খালি বসে থাকন আর খাওন গল্প করন। দাঁড়া দেখাইতেছি মজা।

    (এলোপাথারি কিলচড় মারবে, এক পর্যায়ে রাগ করে উঠবে শাহিদা)

শাহিদা : মারবা ক্যান আমারে। কথায় কথায় ক্যান মারবা। চাল আনছো যে ভাত রান্ধুম। ও ভাত দিবার ভাতার না কিল মারবার গোসাই। মাথায় তৈল নাই, পরনের কাপড় নাই। কয়দিন খাই কয়দিন না খাই খবর নাই কেবল মারবার বেলায় আছে। ক্যান আমারে মারবা। আমি চইলা যামু, যেদিক চোখ যায় চইলা যামু।

রহমান : যা চইলা যা। দেখি কোন ভাতারে ভাত দেয় তোরে। যা হারামজাদী।

শাহিদা : দ্যাখ মুখ খারাপ করবা না।

রহমান : কী করবি তুই। খালি ঘ্যানর ঘ্যানর আর ভাল লাগে না। যা তোরে তালাক দিলাম। (ধাক্কা দিয়ে) এক তালাক, দুই তালাক, তিন তালাক, বায়েন তালাক।

শাহিদা : (পড়ে যেতে যেতে বলবে) এ তুমি কী করলা সোলেমানের বাপ।

মুন্নি : (আতঙ্কিত বিস্মিত) ভাইজান …
মা : (আড়াল থেকে) একি করলি তুই রহমান। তোর কী জ্ঞান-গম্যি এক্কেরেই গ্যাছে। ঘরে চাউল নাই, আমি বিছানা্‌য় পইড়া আছি কেডায় চাইল আনবো। চাইল নাই তাই ভাতও রান্ধা হয় নাই।

রহমান : (দুই হাতে নিজের চুল টেনে) হায় আল্লারে, কি করলাম আমি। (শাহিদা পাশ কাটিয়ে যাওয়ার জন্যে পা বাড়াবে। রহমান হাত টেনে ধরে বলবে) যাস না বউ। আমার ভুল হইয়া গ্যাছে। আমি তো তালাক দিবার চাই নাই, মুখ ফসকায়া বার হইয়া গ্যাছে। তুমি যাইয়ো না বউ।
(শাহিদা যাবে না।)

                ৫ম দৃশ্য 

(গ্রামের শালিশ। মণ্ডল, ইমাম, তিন/চারজন গণ্যমান্য ব্যক্তি চেয়ারে আর সামনের কয়েকজন    গ্রামের নীরিহ মানুষ। এককোনে ঘোমটা টেনে দাঁড়িয়ে শাহিদা, পাশে মুন্নি।) ইমাম সাহেবের   পায়ের কাছে মাটিতে রহমান। ইমাম সাহেব কথা বলবে।) 

ইমাম : শোন, গাঁয়ের মানুষ, রহমান ওর বউ মানে শাহিদা বিবিরে তালাক দিছে। তারপরেও শাহিদা বিবি ওর ঘর ছাড়ি যায় নাই। রহমান এখন বেগানা পুরুষ শাহিদা বিবির কাছে। আর পরপুরুষের লগে থাকা গুনাহের কাজ। এই রকম গুনাহ করলে আল্লাহতালা নারাজ হয়। আল্লাহতালার নারাজগি বুঝই তো গজব নাইমা আইবো এই গাঁয়ের ওপর। আকাল পড়বি। ( মণ্ডল আর গণ্যমান্যদের দিকে তাকিয়ে) আপনার কী বলেন।

মণ্ডল : আপনি ঠিকই বলছেন হুজুর। এখন কী করলে এর সমাধা হবে তাই বলেন। তোমরা তো শুনলা, এখন তোমরা কী কও।

গ্রামের লোক : (সমস্বরে) আপনারা যা বলবেন তাই মাইনা লইব।

ইমাম : রহমান, তোমার কিছু বলার আছ্ে‌

রহমান ; হুজুর আমি তো ইচ্ছা কইরা কিছু বলি নাই। মুখ ফসকায়া রাগের মাথায় বাইর হয়া গ্যাছে। হুজুর মাপ কইরা দ্যান। ওর কোন দোষ নাই। ও চইলে গেলে আমার বাচ্চাডার কী হইবো ইমাম সাব।

ইমাম : দ্যাখ রহমান, মুখ ফসকায়া বাহির হোক, ইচ্ছায় হোক অনিচ্ছায় হোক বাহির তো হইছে আর তালাকও হইছে।

রহমান : হুজুর, মন থাইকা তো কই নাই; মন থাইকা না কইলে কী তালাক হয়, হয় নাতো হুজুর।

মণ্ডল : তুই বেশি জানিস। ইমাম সাব যা কইছে এডাই ঠিক। কি কন ইমাম সাব।

ইমাম : (নরম সুরে) দ্যাখ রহমান। তোমার ব্যথা বুঝতি পারতেছি। কিন’ কী করবা কও। তুমি মন থাইকা কও আর না কও ঐ বউরে তুমি তো আর ঘরে রাখতি পারবা না।

মণ্ডল : (ইমাম সাহেবের সুরে সুর মিলিয়ে) রহমান, কষ্ট পাইয়ো না। ইমাম সাব তো ঠিকই বলেছেন। বন্দুকের গুলি আর মুখের কথা একই রকম ভাইর হইয়া গ্যালে আর ফিরান যায় না। (একটু থেমে) এই বু তো তুমি ঘরে রাখতে পারবা না। এইটা গুনাহের কাজ। তুমি এতদিন ঘরে রাইখা গুনাহের কাজ করছ। শাহিদা তো এখন বেগানা নারী। আমরা তো তোমার জন্যি গাঁয়ের অমঙ্গল হইতে দিতে পারি না। কী বলেন আপনারা।

    ( গ্রামের মানুষ কোন কথা বলবে না।) 

রহমান : দয়া করেন হুজুর

মণ্ডল : ( গ্রামের মানুষের দিকে তাকিয়ে) ইমাম সাহেব কী কইছে আপনারা শনছেন তো। বন্যা হইবে, খরা হইবে না, ফসল হইবে না মাঠে। আকালে মানুষ না খাইয়া মইরা যাইবে। (রহমানের দিকে তাকিয়ে) তোমার একলার জন্যি তো গাঁয়ের এত্তগুলান মাইনষের ক্ষতি করতি পারি না। কী বলেন ইমাম সাহেব।

রহমান : (জোড়হাত করে) দয়া করেন হুজুর। আমার পোলাডা মা হারা হইবে। দুধের বাচ্চা, মা ছাড়া কইরেন না হুজুর।

    (রহমানের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকবে কিছুক্ষণ ইমাম সাহেব। মণ্ডল কানে কানে           কিছু বলবে)

ইমাম : দ্যাখ রহমান, আমি অন্যায্য কথা বলি না। তোমার পোলার খেয়াল তোমারই রাখার দরকার ছিল। তালাক দিয়া তার সঙ্গে ঘর করা তো ঠিক না। এইটা না-জায়েজ। তবে একটা কাজ করলে বউ রাখতে পারবা।

রহমান : কী কাম হুজুর

ইমাম : তোমার বউরে অন্য একজনের সঙ্গে বিবাহ দিয়া তারপর তালাক নিয়া পুনরায় বিবাহ করবা।

রহমান : (আতঙ্কিত কণ্ঠে) হুজুর!
ইমাম : রহমান, এতে ভয়ের কিছু নাই। এক রাতের ব্যাপার। এরে হিল্লা বিয়া কয়। তুমি রাজী হলে বউ পাইবা না হইলে বউ পাইবা না।

    (রহমান মাথা নিচু করে থাকবে কোন কথা বলবে না)

গ্রামের মানুষ: অ্যাই রহমান, কী ভাবতিছিস। ইমাম সাবের কথার জবাব দে।

    (রহমান ঘোর লাগা চোখে তাকিয়ে থাকবে)

ইমাম : তুমি কি আমার কথা বুঝছো, তোমার বউরে অন্য এক মানুষের সঙ্গে বিবাহ দিতে হইবে তারপরে তালাক দিলে বিবাহ করতে পারবা। না হলে এই নাজায়েজ সম্পর্কের জন্য তোমার বিচার হইবে।

রহমান : তা কি কইরে হয়। অন্য জনের সঙ্গে বিবাহ! না না।

মণ্ডল : হারামির ছাও, ভালো কথা ভালো লাগতিছে না। হুজুর ভালো কথা বলতিছে মাথা পাততিছ না ( খুব রাগ করবে)

রহমান : নিজের বউ অন্যের কাছে , অ্যাইডা কেমন কথা হুজুর

মণ্ডল : চুপ, হারামজাদা। খালি গালভরা কথা। অ্যাই বিবাহ করতে চাইতেছি আমি তোরে বিচারের থেকে বাঁচানোর জন্য। যদি রাজী না হস মাথা কামাইয়া অ্যাই গ্রাম থেকে বাইর করে দিবে ইমাম সাহেব, বুঝছস।

    (এবারে কথা বলবে শাহিদা)

শাহিদা : আমি একটা কথা বলতে চাই

ইমাম : বল

শাহিদা : এ বিয়া আমি করবো না

মণ্ডল : চুপ থাকো শাহিদা বিবি। তোমার আমার ইচ্ছা অনিচ্ছা কী ! তুমি মাইয়া মানুষ মাইয়া মানুষের মতো থাক।

ইমাম : শাহিদা বিবি, এখানে তোমারে বিচারের জন্য ডাকা হইছে, ইচ্ছা অনিচ্ছার কথা শোনার জন্য ডাকা হয় নাই।

শাহিদা : ক্যান ইমাম সাব, আমার ইচ্ছা অনিচ্ছা থাকতি নাই। পুরুষ মানুষ যেমন আল্লার সৃষ্টি তেমনই মাইয়া মানুষও আল্লার সৃষ্টি ( একটু থেমে) তাহলে পুরুষের ইচ্ছা থাকলি মাইয়া মনুষের ইচ্ছা আছে। আমি বিয়া করবো না এতে আমার দোষ কোথায় !
(একটু থেমে) পুরুষ জাত যদি পারে তবে মাইয়া জাত ক্যান পারবে না হুজুর! আমারে বুঝা্‌য়ে কন।

মণ্ডল : অ্যাত্ত কথা কও ক্যান শাহিদা বিবি। ভালো হইবে না। এমনিতে তালাক হইছে, বেগানা পুরুষের সাথে থাকতাছ, তারপরেও কথা কইতাছ। মুখ ডাক, মুখ ঢাইকা রাখ। আমরা তোমারে শাস্তি দিবার চাইনা তবে কথা ফুটছে মুখে শাস্তি তো পাইইে হইবে।
শাহিদা : আমি পর পুরুষের সাথে থাকি নাই। আমি আমার স্বামী সাথে শ্বশুর ঘরে আছি। রাগের মাথায় তালাক বললে তালাক হয় না, আমি জানি।

ইমাম : অনেক জাইনা ফেলছ শাহিদা বিবি। এত জানা ভালো না বিবি। তোমার স্বামী এখন আর তোমার নাই। বেগানা হইয়া গ্যাছে, বেগানা মাইনষের সাথে থাকা ব্যাভিচার। এ অনাচার সহ্য করা হবে না। এর শাস্তি খুব কঠিন। রহমানের মুখ চায়া শাস্তি দিতে চাই নাই। আর মণ্ডল সাব, হিল্লা বিয়া করতে রাজী হইছে বইলাই না এই ব্যবস্থা। (একটু থেমে এদিক- ওদিক তাকাবে, মণ্ডল সাহেবের দিকে তাকিয়ে তাকাবে রহমানের দিকে, তারপর বলবে) তুমি রাজী হও শাহিদা বিবি, শাস্তি মাফ কইরা দিব। (রহমানকে উদ্দেশ্য করে) রহমান, মণ্ডল সাবের দয়ার শরীর, তাই রাজী হইছে, তুমি রাজী হও, একদিনেরই তো ব্যাপার…

    (রহমান মাথা নেড়ে সায় দিবে)

শাহিদা : ( চোখে আগুন ঝরিয়ে) একদিন ক্যান আধদিনও না, এ বিয়া আমি করবো না। আমি জানি, সরকার হিল্লা বিয়া উঠায়া দিছে আর কাগজে কলমে তালাক না হইলে তালাক হয়
না।

ইমাম : বেশি কথা কও শাহিদা বিবি, মাইয়া মাইনষের এত্ত কথা বলা ভালো না। রাজী হও, কবুল বল।

    {(মণ্ডল মনে মনে বলবে) তোমারে সেই প্রথম দেখছিলাম লাউয়ের মাচাং-এ। হুলুদ           শাড়ি পইরা ছিলা য্যান হলুদিয়া পাখি...। শাহিদা রূপবতী মাইয়া আমার প্রাণেশ্বরী,             তোমার কী ঐ হাভাতে ঘরে মানায়। রাজী হইয়া যাও, সুখে থাকবা, সুখে রাখবো! আমি         তো তালাক দিব না, আমার দুই বিবির সাতে তুমি তিন নম্বর বিবি হইয়া ঘর করবা। ও            আমার সোনা পুতলি রাজী হইয়া যাও গো সোনা)।}

শাহিদা : এ বিয়া মানি না। এ বিয়া আমি করবো না। আমার ইজ্জত নিয়া খ্যালতে দিবো না কিছুতেই। আমি রহমানের সাথেই থাকবো।
মণ্ডল : কী অ্যাত্ত বড় কথা। ইমাম সাবের মুখে মুখে কথা। শাস্তি দ্যান হুজুর। আমি রাজী হইছিলাম এখন আর বিবাহ করবো না।

ইমাম : ১০১ টা দোররা

মণ্ডল : (সহচরদের দিকে তাকিয়ে) মার, মার

    (মারতে উদ্যত হবে, রহমান কথা বলবে)

রহমান : না হুজুর মাইরেন না। ওরে আমার ঘর করন লাগবে না। আমিও রাখবো না।

শাহিদা : (কঠিন কণ্ঠে) ঠিক আছে, আমার স্বামীর ঘর করতে হবে না, আমি মণ্ডলরে বিবাহ করবো না।

ইমাম : তাইলে, বিচার হবে। বিবাহ করলে বিচার মওকুফ করা যাইত। এখন যাইবে না।
অ্যাই দোররা মারবে রহমান, শাহিদাকে যে তালাক দিছে সেই স্বামী।

শাহিদা : ক্যান আপনারা আমারে দোররা মারবেন, দোষ তো আমি করি নাই। দোষ করছে রহমান। শাস্তি দিতে হয় তারে দ্যান।

ইমাম : তুমি তো বড় বেতমিজ মাইয়া। মুখে মুখে কথা কও। রহমান মার।

    (রহমান দাঁড়িয়ে থাকবে)

মণ্ডল : হারামজাদা বেকুব, মার, না মারলে তোরে কামলা রাখবো না। একঘরে করবো তোর হারামি।

রহমান : (দোররা মারবে আর বলবে) শাহিদারে, আমারে কইয়া দে আমি কী করুম। তোরে ছাড়া তো কিছু জানি নারে আমি। আর এখন তোরে না মারলে কাম পাব না, কী খাওয়াবো পোলারে, কী খাওয়াবো মারে…

    (কয়েকটা দোররা মারা হলেই মানবাধিকার কর্মী আসবে)

কর্মী : ওকে মারছ কেন ? কী করেছে ও!

রহমান : ভাইজান, তালাক দিয়া একসাথে আছিলাম। সালিশে দোররা মারা সাব্যস্ত হইছে।

কর্মী ; তালাক দিয়েছ, সেকি কাগজে কলমে

রহমান : না, ভাইজান মুখে মুখে

কর্মী : তাহলে তো তালাক হয়নি। ভাইসাহেব শোনেন, শুধু মুখে মুখে কখনও তালাক হয় না।

মণ্ডল : অ্যাই আপনি কে ?

কর্মী : আমি মিজান, মানবাধিকার কর্মী। আপনারা নিজের হাতে আইন তুলে নিতে পারেন না। ঐ নারী আপনাদের নামে নালিশ করলে আপনাদের শাস্তি হবে। একজন নারীকে হেনস’া করার অপরাধে আপনাদের শাস্তি হবে।
শাহিদা : আমি থানায় যাবো নালিশ করবো।

মণ্ডল : (মুখ ভেংচিয়ে) থানায় যাবো, মুখের কথা। যা তো দেখি হারামজাদী

কর্মী : ওকে বকছেন কেন ? ও থানায় যাবে। আমি সঙ্গে করে নিয়ে যাবো। তারপর কী হয় দেখবেন

ইমাম : দ্যাখেন বেশি কথা কইয়েন না। ভালো হইবে না।

কর্মী : ঠিক আছে। (মোবাইল বের করবে) পুলিশ স্টেশন…

    (সকলে উঠে চলে যাবে। শুধু রহমান, মুন্নি, শাহিদা, মানবাধিকার কর্মী থাকবে)

কর্মী : রহমান ভাই, আপনি আপনার স্ত্রীকে ঘরে নিয়ে যান।

রহমান : (ভীত কণ্ঠে) না, না ভাইজান আমি নিতে পারবো না। ওরা একঘরে করবে, কাম দিবে না। মা বোন পোলা নিয়ে না খেয়ে থাকতি হবে।

কর্মী : না খেয়ে থাকতে হবে বলে আপনার স্ত্রীকে আপনি সঙ্গে নিবেন না! লড়াই করতে না পারেন ওদের নিয়ে অন্য জায়গায় চলে যান।

রহমান : না, না (চলে যাওয়ার জন্য পা বাড়াবে)

শাহিদা : অ্যাই যে শোনেন, আপনার সাথে আমিই যাবো না। (রহমান চলে যাবে। শাহিদা মিজানকে বলবে) ভাইজান আমাকে আপনার সাথে নিয়া যান। আমি কাম করে খাইব তাও ওর সাথে থাকবো না।

কর্মী : ঠিক আছে বোন, আমি কাজের জোগাড় করে দিব।

মুন্নি : ভাবী আমিও তোমার সাথে যাবো।

শাহিদা : তুমি গেলে আম্মারে দেখবে কে !

মুন্নি : ভাইজান দেখবে

শাহিদা : আপনি ভাইজান একটু দাঁড়ান, আমার ছেলেডারে নিয়া আসি।

    (শাহিদা, মুন্নি হাঁটবে। মানবাধিকার কর্মী সেদিকে তাকিয়ে থাকবে)


                                 শেষ 

Leave a Reply


Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home12/wwwafrozaaditi/public_html/wp-includes/functions.php on line 4615