বিপদসীমার ওপরে নদী
ভাঙন ঠেকান গেল না আর!
ঈশ্বরের ওপর দোষ চাপিয়ে ওরা হলো
শহরমুখী।
বাসের ছাদে পোটলা-পুটলি সঙ্গে ওরাও।
ওদের সঙ্গে হাড্ডিসার চার আর তালিমারা
বাজিতপুরিতে এক! উঠতি বয়সের ঘুড়ি-
চোখে-মুখে তাঁর চিকচিকে ভেজা
বালির মতো স্বপ্ন!
বাসের ছাদ থেকেই
উঠতি বয়সের ঘুড়িটাকে নিয়ে গেল কয়েকটা
নখরি চিল; অজানা শহর; একে-তাকে ধরে
থানায় জিডি.,বড়কর্তার হাতে-পায়ে ধরা;
হলো না কিছুই!
কোথাও ছায়া নেই কোথাও ওড়ে না ঘুড়ি!
বাবার মাথায় হাত, মায়ের করুণ চোখে বর্ষা
শহরে উজ্জ্বল আলো কিন্তু ওদের কালো কপাল
হয় না উজ্জ্বল।
একসময় নখরি চিলগুলো
লোফালুফি ওড়াউড়ি খেলাখেলি শেষে
উড়িয়ে দিলো ঘুড়িটাকে, ঘুড়িটা গোত্তা খেয়ে
পড়ল ফেলে রাখা আবর্জনাস্তুপে।
মাস খানেক পর পচা-গলা বাজিতপুরি
দেহের কঙ্কাল; বেওয়ারিস!
ঈশ্বর অসহায়! শত ডাকাডাকি!
লক্ষ দোষারোপ কিছুই তো নেই তাঁর হাতে!
#afrozaaditi.com , #আফরোজা অদিতি
