কথা তো ছিল না
অলিখিত সংবিধানের মতো শতকষ্টেও
হাসতে হবে বালিকাকে!
প্রশ্ন একটা্ই, না-পাওয়া আর কষ্টের ভীড়ে
যদি হাসির মল্লিকা না ফোটাতে পারে বালিকা
তখন কী হবে? যদি না পারে আনন্দবোমার
বিস্ফোরণে চমকে দিতে পৃথিবীটাকে, না
ইচ্ছে করে সুখের বিল্লপত্রে হতে প্রেমপূজারী,
তখন কী মনক্ষুন্ন হবে পৃথিবী?
বালিকা জানে, জানে বালিকা
সহজে কিছু পাওয়ার নয়, হওয়ারও নয় তবুও
প্রতীক্ষার স্নিগ্ধকরতলে ধরতে চায় প্রারব্ধদিনের
সকাল! চিরায়ত মাধুর্যে ভরিয়ে দিতে চায়
পৃথিবীর দিনরাত্রি!
বালিকার সমূহ প্রাপ্তি থেকে
কেন বঞ্চিত হতে হবে তাঁকে? নতুন চুক্তিনামা
হোক; যেখানে লিখিত হবে উভয়ের ইচ্ছে সমান;
সেখানে একনায়কতন্ত্রে না থেকে গড়ে উঠবে
সুখে-দুখে এক সমাজতান্ত্রিকতার বাসভূমি;
নাই আধাআধি, নাই ভাগাভাগি!
স্বাধীন বালিকা, তাঁর চাওয়া-পাওয়াও হোক স্বাধীন।
