১. দৈনন্দিন // আফরোজা অদিতি
বাজারের ব্যাগ নামিয়ে রাখে রান্নাঘরে। খোঁজ করে ঠিকে সাহায্যকারীর। এখন জুতা সেলাই থেকে চণ্ডিপাঠ সবই ওর জিম্মায়। ঠিকে-ঝিটির পাত্তা নেই। আসবে না মনে হয়! ভেতরে ভেতরে গর্জাতে থাকে শিলু। রান্নাঘরের মেঝেতে উপুড় করে ব্যাগ। দরোজায় এসে দাঁড়িয়েছে স্বামী। বাজারের জিনিষে চোখ ঘুরিয়ে বলে মাংস আনোনি আজ। গরু না হোক নিদেন পক্ষে মুরগি।
মুখ তুলে চোখ রাখে স্বামীর মুখে; বলে, তোমার মূল্য কমার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে মাংসের দাম।
২. বৃন্দাবনের বাঁশি // আফরোজা অদিতি
বাঁশি বাজে। উথাল পাথাল পাগল করা বাঁশি। ব্যাকুল মন দৌড়ে যেতে চায় বাঁশির কাছে। জীবনের সাত-সতেরোতে কুলিয়ে উঠতে পারে না সে।
বাঁশির সুর আছে কিন্তু নেই আগের বৃন্দাবন।
৩. মৃত্যু মিছিল // আফরোজা অদিতি
বাংলা একাডেমির সামনের ফুটপাত, টিএসসি চত্বর, কলাভবন, মধুর ক্যান্টিন, সোরহওয়ার্দি উদ্যান করে করে কেটেছে এক যুগ। হয় তো বা কেটে যেতো কয়েক পুরুষ।
কিন্তু করোনা-মৃত্যু মিছিলে যোগ দিলো যে সেও…
