কর্দমাক্ত মাটি, জলে ভিজছে শ্রমিক শরীরখুঁড়ছে মাটি, হবে মেট্রোরেল, উড়াল সেতুকিংবা অন্য কোনো কাজ। বৃষ্টিজলে ভেজা পিচঢালা পথ; পথের ধারেভেজা উনুনে টগবগ ফুটছে মোটা ভাত!কাগজের ধূঁয়া আর চামড়া পোড়া গন্ধেভারী বাতাস। ফুটপাতে গুটিয়ে রাখা আধভেজা বিছানা!ভেজা শরীরে কাঁপছে ন্যাংটো শিশুরাওরা কাঁদছে, খিদে পেয়েছে। ক্ষুধা আর জলে ভিজছে; ওরা কাঁদছেওরা কাঁপছে! পথচারী পার হয়ে যায়কেউ ফিরে […]
Category Archives: আফরোজা অদিতির লেখা
বুকের গভীরে তোমারঅমৃত ছায়া বিস্তারে স্বর্গে যাওয়ার ইচ্ছা!প্রেমের ছোঁয়ায় নবীনকুঁড়ি পুষ্পিত হওয়ারইচ্ছায় ব্যাকুল; আলোকবর্তিকা তুমি। নতুন আলোকে উদ্ভাসিত দিগন্তের সিড়ি!ভালোবাসার আগুনে ঐ দিগন্ত ছুঁয়েমনে রাখতে চাই তোমাকে! তোমার ছায়ায় সুখী হয়েওষ্ঠে নিতে চাই সুগন্ধি গোলাপের ঘ্রাণ!দৃষ্টির করতলে শ্যামল সুষমায় প্রস্ফুটিতপুষ্পজীবন পেতে চাই! তোমার হাত ধরে স্বর্গে যাওয়ার সিড়ি চাই! #afrozaaditi.com , #আফরোজা অদিতি
আমার হৃদয় পৃষ্ঠা ওড়েওড়ে স্মৃতির ধূলো মাখা প্রবালপ্রেমচাঁদের আলো ঝলকে ওঠে নয়নতারারআঁখির কিনরায়; হেসে ওঠেন কবি নজরুল! কবির হাসিতে হেসে ওঠে সন্ধ্যামালতি, হাসেঅপরাজিতা; হাসে ঘাসফড়িং প্রজাপতি! সুদূরকিশোরবেলা থেকে ভেসে আসছে মায়ের কণ্ঠ-“সাম্যের গান গাই/আমার চক্ষে পুরুষ রমণীকোন ভেদাভেদ নাই।’’ …আবৃত্তি করছেন মা;তাঁর ললিতকণ্ঠ ছড়িয়ে দিচ্ছে কবির চেতনা,কবির ইচ্ছা! মায়ের কন্ঠস্বরে আমার চারপাশআমোদিত হয়ে পাপড়ি মেলে […]
সারাটি দুপুর সাদা মেঘ ভেসে ভেসেপ্রকৃতির সাথে হেসে হেসে করছিল গল্পগাছা!গল্পগাছায় দিনটি পার হতে হতে কী হলোদু’য়ের মাঝে কে জানে! ঝরঝর ধারায় কেঁদে ফেললো ঐ সান্ধ্যাকাশ! আকাশের মুখ কালো দেখা যাচ্ছে তা!প্রকৃতির কী ইচ্ছে কে জানে! কোন সে কথারআনাগোনা চলছে তার মনে; কে তা জানে! সন্ধ্যাবেলা শেষে ফুটপাত জুড়ে ধারাজলেরখেলা চললো সেদিন। #afrozaaditi.com , # […]
করোনাকালে চাঁদ উঠেছে, চাঁদ উঠেছেনভের বুকে; চাঁদ উঠেছে, চাঁদ উঠেছেচাঁদ উঠেছে ঈদুল-আজহার। সুখের সুরেঢেউ লেগেছে মানব-প্রাণে। চলছে লকডাউন; এবারের লকডাউন কঠোরথেকে কঠোরতর সর্বাত্মক লকডাউন! তবুওফেরিঘাটে মানবজট, হাটে-মাঠে-ঘাটে-পথে-প্রান্তরে মানব-সমাগম! বাড়ছে মৃত্যু, বাড়ছেসংক্রমণ তবুও ভয়হীন মানুষ! যেতে হবেগ্রামে অপেক্ষাতে স্বজন! জেলা শহরে সংক্রমণ; অপেক্ষাকৃত ভালো চিকিৎসানিতে আসছে ঢাকায়! ওদিকে সীমান্ত পেরিয়ে আসছেগরুর দঙ্গল; সঙ্গে মানুষ! একপাশে ঈদ, […]
উড়ছে মেঘজমছে মেঘ; শুভ্র মেঘের গায়ে লেগেছেকালচে ডাইনির ভাঙা কপোলের ছোপ!বাহন ঝাড়ুতে বসেছে মেঘের বুকে!করছে দাপাদাপি! তার ঝাড়ুর উন্মত্ততায়ভেসে যাচ্ছে ঘরবাড়ি কূল-উপকূল!উপদ্রুত উপকূলীয় মানুষ! জলাবদ্ধতায়নগর বাসিন্দা! অন্যদিকেকরোনায় যাচ্ছে জীবন তাঁর শেষ আশ্রয়ে!হাসপাতালে স্থানাভাব, অক্সিজেন সংকট,করোনার সরব উপস্থিতি; নিরব বন্যা!শ্রাবণধারাতে কবিমন পেখমধারী ময়ূর!কবিমন ভাবে আহা! শ্রাবণধারা ঝরঝরঝরবে! তারপর হেসে উঠবে প্রকৃতি;অমরাবতীর ছিন্নপাতায় নিরব বিহগগেয়ে উঠবে সুরেলা […]
ঘরবন্দী মানুষ হয়েছে সন্ত্রস্ত; করোনাডাইনিরমৃত্যুছায়ার সাথে লড়ছে জীবনপণ!শ্রাবণধারা ঝরছিল; ঝরঝর একটানা ঝরছিল!দুদিন বাদে ফর্সা হলো দিন; রোদেলা প্রকৃতি!বাদল দিনের শেষে তোমার সঙ্গে কথাবলছি অবশেষে!কথাপ্রেমিক তুমি রোদেলা গাহন শেষেখবর নিলে বুঝি; অনেকদিন পর শ্রাবণধারা ছুঁয়েছেকবির কেশ। ভাবছে কবি, লিখবে কাব্য হবে বেশ!কিন্তু কী হলো?শব্দ চয়ন শেষে ঊষ্টা খেয়ে পিছলে গেল যে;তখন জলের ধারায় সবুজ পত্র-শাখায় দুলছেকামিনী-কদম-কেয়া! […]
১৯ মে পুরো দিন ছিল উত্তাল ও ঘটনাবহুল। প্রশাসন কার্ফু জারী করে এবং প্রায় সাড়ে ছয় হাজার আন্দোলনকারীকে গ্রেফতার করে। কিন্তু তবু দমেনি আন্দোলনকারীরা; তারা আন্দোলন চালিয়ে যায়। রক্তস্নাত আন্দোলনের ফলে ওই অঞ্চলে সরকারী ভাষা হিসেবে প্রশাসনিক স্বীকৃতি দিতে কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়। ১১ ভাষাশহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অবশেষে তৎকালীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী প্রদত্ত সূত্রের […]
আসামের ভাষা-আন্দোলন ‘সংগ্রাম পরিষদ’ সিদ্ধান্ত নেয়, ১৯৬১ সালের ১৯ মে থেকে সমগ্র কাছাড়ে (বর্তমান বরাক উপত্যকা) বাংলাকে সরকারী ভাষা করার দাবীতে অহিংস-অসহযোগ (সত্যাগ্রহ) গণ-আন্দোলন চালিয়ে যাবে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯৬১ সালের ১৮ মে রাত বারোটার পর থেকে বিভিন্ন বয়সের বাংলা ভাষা-ভাষীরা শিলচর রেলস্টেশনে অহিংস অবস্থান ধর্মঘট পালনের জন্য সমাবেত হতে থাকে। রাত ভোর হয়। ১৯ মে […]
আমরা খ্রিষ্টাব্দ, বঙ্গাব্দ এবং হিজরী সন অনুসারে দিনযাপন করি। আমাদের দিনলিপি বা দিনপঞ্জিকাতে এই তিনটি সনের দিন-রাত্রির হিসাব পাশাপাশি চলে। আমার অনেকদিনের অভ্যেস জানুয়ারি, বৈশাখ ও মহররম মাসের প্রথমদিন আগের দিনের রান্না করা খাবার অল্প পরিমানে মুখে দিয়ে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করা! জানি এটি একটি সংস্কার তবুও ছোটবেলা থেকে এই সংস্কার মেনে এসেছি এবং আমার […]
